‘ডিজিটাল বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাস্তবতা ফাইভজি’

১১ অক্টোবর, ২০২০ ১৮:৩২  
ই-সরকার থেকে শুরু করে  ই-কমার্সে দেশের মানুষ অভ্যস্ততা এখন ডিজিটাল বাংলাদেশের বাস্তবতা। জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে মোবাইল ফিনান্সিয়াল সেবা। এই সবকিছুর পিছনের অবদান রেখে যাচ্ছে টেলিকম প্রতিষ্ঠানগুলো। আর তাদের মাধ্যমেই ডিজিটাল বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাস্তবতা হতে চলেছে ফাইভজি। ইতোমধ্যেই এর পরীক্ষা হয়েছে। ২০২১ সালের মধ্যেই শুরু হবে পথ চলা। শনিবার (১০ অক্টোবর) রাতে অনলাইন অনুপ্রেরণামূলক শো ‘ইন্সপায়ারিং বাংলাদেশ’ এর সিজন ২-তে অংশ নিয়ে এসব কথাই তুলে ধরেনবাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের মহাপরিচালক জেনারেল মোঃ মোস্তফা কামাল।   ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে টেলিকম রেগুলেটরির কাজ হলো অ্যামপায়ারের মত। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সাথে ভালো পরিবেশ ও প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরি করা। এর ফলে গ্রাহক ভালো সেবা পাবে। গ্রামের একজন গ্রাহকের উন্নত সেবা দেয়ায় আমাদের টেলিকম রেগুলেটরির মূল উদ্দেশ্য ভার্চুয়াল শোতে তিনি এই কথা বলেন। টেলিকম ও আইএসপি প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রশংসা করে মোস্তফা কামাল বলেন, করোনার সময় অনলাইনে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করেছে, অফিস বাসা থেকে করেছে এইটা সম্ভব হয়ে টেলিকম এবং আইএসপি কোম্পানিগুলোর জন্য। রবি আজিয়াটা লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মাহতাব উদ্দিন আহমেদ ভার্চুয়াল শোতে বলেন, করোনাকালীন সময়ে ডিজিটাল মাধ্যমে কি ধরনের সেবা দিতে পারি এই নিয়ে শুরু থেকেই আমাদের চিন্তা ছিল তখন আমরা কিভাবে অ্যাপ এবং ক্লাউড মাধ্যম ব্যবহার করে ট্রেকিং টুল ব্যবহার করা যায় তা নিয়ে কাজ করি এবং তা বাস্তবায়ন করি। এটুআই আমাদের সহযোগিতায় ছিল। করোনাকালীন সময়ে সবচেয়ে বেশি গুরত্ব বহন করেছে হেলথ সেবা এইটা আমরা উন্নত করেছি। এই ক্রাইসিস মুহূর্তে অনেক প্রতিষ্ঠান তাদের সেবা সেবা করেছে বা করতে বাধ্য হয়েছে কিন্ত আমাদের নেটওয়ার্ক বন্ধ হয়নি। আমরা আমাদের সেবার মান আরো উন্নত করেছি বললেন মাহতাব উদ্দিন। ভার্চুয়াল শোতে আরো উপস্থিত ছিলেন কনটেন্ট প্রোভাইডার অ্যান্ড এগ্রিগেটর অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ এর জেনারেল সেক্রেটারি রফিউর রহমান খান ইউসুফজাই। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন ইন্সপায়ারিং বাংলাদেশ এর প্রতিষ্ঠাতা ইমরান ফরহাদ। অনুষ্ঠানটির সহযোগিতায় বিয়িং।